শনিবার | ২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | বসন্তকাল | ১০ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

আ.লীগ নেতা হাবিবুর হত্যায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

শরীয়তপুর: শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান ও তার ভাই মনির হোসেনকে হত্যার ঘটনায় ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২১ মার্চ) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত হোসাইন এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-শাহিন কোতোয়াল, শহিদ কোতোয়াল, শফিক কোতোয়াল, শহিদ তালুকদার, সোলেমান সরদার ও মজিবর রহমান তালুকদার (ল্যাংড়া)।

এ ছাড়াও মামলার ৫৩ আসামির মধ্যে ২ জনের মামলা চলাকালীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে আর মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয় ৩৮ জনকে। মৃত্যুদণ্ড রায় প্রাপ্ত ৬ আসামির মধ্যে শহীদ তালুকদার পলাতক রয়েছে বাকি ৫ জন আটক রয়েছে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-সারোয়ার হোসেন বাবুল তালুকদার, ডাবলু তালুকদার, বাবুল খান ও টোকাই রশিদ। বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড প্রাপ্ত আসামি মন্টু তালুকদার, আসলাম সরদার ও মজনু ওরফে জাকির হোসেন।

এই মামলার এজাহারে ৫৩ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে ইতোমধ্যে সাবেক সাংসদ হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গসহ দুইজন মৃত্যু বরণ করেছে। অপর ৩৮ জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

২০০১ সালের ৫ অক্টোবর বিকালে নিজ বাড়িতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী সভা চলাকালীন সময়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক ও শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ও মনির হোসেন মুন্সি নিহত হয়।

ঘটনায় ৫৩ জনকে আসামি করে ৬ অক্টোবর পালং মডেল থানায় মামলা করেন নিহত হাবিবুর রহমানের স্ত্রী জিন্নাত রহমান। এই মামলায় ২০০৩ সালের ২৩ মার্চ অভিযোগ পত্র দাখিল করে পুলিশ।

দীর্ঘ ২০ বছর পরে রোববার রায় ঘোষণা করেছে আদালতের বিচারক। আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট নয় বাদী ও আসামি পক্ষ।

বিডি রয়টার্স/এ.সি

Translate »