শনিবার | ২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | বসন্তকাল | ১০ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

ফিরোজ হত্যায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড, পাঁচজনের যাবজ্জীবন

খুলনা: খুলনার ওষুধ ব্যবসায়ী ফিরোজ শেখ হত্যা মামলায় ৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৪ আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ফরিদ মোল্লা, মিসবাহ মোল্লা, মোর্তজা মোল্লা ও টুটুল মোল্লা। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির হচ্ছে মুক্ত মোল্লা, শহিদুল শিকদার, সেলিম শিকদার, নাসির শিকদার ও মেহেদী মোল্লা।

সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৫ আগস্ট আসামিদের ধারালো অস্ত্রাঘাতে আহত হন ফিরোজ শেখ। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিন দিন পর নিহতের ভাই হিরু শেখ বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে তেরখাদা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৫ আগস্ট তেরখাদা উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামের মোহাম্মাদ আলী শেখের ছেলে ফিরোজ শেখ (৩৫) ওষুধের দোকান বন্ধ করে ভ্যানে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তার পূর্বপরিচিত শত্রুরা অতর্কিত হামলা চালায়। তারা ফিরোজকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় ভ্যানচালক ও নিহতের সহযোগী চিৎকার করলে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

পরে এলাকাবাসী তাকে নিয়ে প্রথমে তেরখাদা হাসপাতালে পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনার তিন দিন পর নিহতের ছোট ভাই হিরু শেখ ২৭ জন আসামির নামসহ আরও অজ্ঞাতনামা উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

২ বছর ১১ মাস পরে সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক মিঠু রানী দাশ ১৩ জনের নামে আদালতে একটি চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটভুক্ত এক আসামি পলাতক রয়েছে। আদালত যুক্তিতর্ক শেষে ১২ জন আসামিকে কারাগারে পাঠায়।

বিডি রয়টার্স/এ.সি

Translate »