শুক্রবার | ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | হেমন্তকাল | ২৩শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর পত্রিকার কাগজের শিরোনামগুলো

বাংলার ইতিহাসে নৃশংস সন্ত্রাসী হামলাগুলোর মধ্যে অন্যতম ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার খবরগুলো পত্রিকায় যেভাবে প্রকাশ হয়েছিল তা দেখে রক্ত হিম হয়ে যায়। তবে মৃত্যুর সংখ্যা একেক পত্রিকায় একেক ছাপা হয়। হাসপাতালে একের পর এক আহত ব্যক্তি মারা যাওয়ায় এমনটি হয়েছে।

২০০৪ সালের ওই হামলার পরদিন দৈনিক প্রথম আলো লাল অক্ষরে ব্যানার শিরোনাম করে ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা, গ্রেনেড হামলায় নিহত ১৬।’এছাড়া সাব হেডিং থাকে ‘বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে রক্তের স্রোত আমু, সুরঞ্জিত, সেলিমসহ আহত ৪০০’ ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার সব চেষ্টাই করেছিল হামলাকারীরা’ ‘আতঙ্কের নগরী ঢাকা’ ‘মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন আইভি রহমান’ ‘আহতদের আর্তনাদে ভারি হাসপাতালের বাতাস’

দৈনিক ইনকিলাব লাল অক্ষরে ব্যানার শিরোনাম করে, ‘আ’লীগ সমাবেশে গ্রেনেড হামলা’’ সাব হেড দেয়া হয়, ‘নিহত ১৮ আহত কয়েক শ।’ এছাড়াও পত্রিকাটির প্রথম পাতায় আরও স্থান পায়, ‘বোমা হামলার প্রতিবাদে ২৪ ও ২৫ আগস্ট সারা দেশে হরতাল’ ‘সারাদেশে বিক্ষোভ উত্তেজনা ভাঙচুর’‘খুনির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী এক নম্বরে : শেখ হাসিনা’শিরোনামসহ এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রথম পাতায় স্থান পায়।

ভোরের কাগজ শিরোনাম করে- ‘হাসিনার জনসভায় বোমা, নিহত ১৮, নারকীয় হত্যাযজ্ঞে স্তম্ভিত দেশবাসী।’ এছাড়াও ‘শুধু রক্ত কান্না আর আহাজারি’‘নগরজুড়ে আতঙ্ক, যানবাহনে আগুন’ সহ আরও অনেকগুলো শিরোনাম দেখা যায়। এছাড়াও বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান ভোরের কাগজে মন্তব্য প্রতিবেদন লিখেন- ‘এ তো সুস্থ আর সভ্য মানুষের দেশ নেই।’

ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার কালো অক্ষরে শিরোনাম করে ‘এসেসিনেশন এটেম্পট অন হাসিনা’। সব হেডে লেখা হয়. গ্রেনেড অন এএল র‌্যালি, সিক্সটিন কিলড, টপ এএল লিডারস এমং টু হান্ড্রেড হার্ট।’ এছাড়াও ‘লিস্ট অফ দা ভিকটিম’ ‘প্রেসিডেন্ট পিএম স্পিকারস সকড’ শিরোনাম ছাড়াও আরও অনেকগুলো শিরোনাম দিয়ে অন্যান্য পত্রিকার মতই খবর ছাপা হয় ইংরেজি দৈনিকটিতে।

বিডি রয়টার্স/এ কে জি

Translate »