এবার সাহায্য করতে আসবে ড্রোন

এবার সাহায্য করতে আসবে ড্রোন

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক: সুন্দরবনের গহিন জঙ্গলে হঠাৎ গেলেন রাস্তা ভুলে। মোবাইলেও নেই নেটওয়ার্ক। আপনার সঙ্গীরা এরই মধ্যে বাঘের ভয়ে শুরু করে দিয়েছে চিৎকার-চেঁচামেচি। অমনি শোঁ শোঁ করতে করতে আপনাদের সাহায্যের জন্য উড়ে এলো ড্রোন! ঘটনাটি কাল্পনিক মনে হলেও এটাই ঘটতে চলেছে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির দুনিয়ায়।

ড্রোন সাধারণত আনম্যানড অ্যারিয়াল ভেহিকল (ইউএভি) প্রক্রিয়ায় কাজ করে। ইউএভি আবার দুটি। একটি জেনারেল বা সাধারণ ইউএভি এবং অন্যটি সামরিক ইউএভি। আমাদের ব্যবহারযোগ্য সাধারণ ইউএভিগুলোতে একটি ক্যামেরা, পাখা আর কিছু সেন্সর থাকে। এসব সেন্সরের ভেতর থাকে কমান্ড সেন্সর, সাউন্ড সেন্সর, টেম্পারেচার সেন্সর। এসব সেন্সরের সাহায্যে ড্রোন আকাশে বাধাহীনভাবে ওড়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্যও সংগ্রহ করতে পারে। ড্রোনের সাউন্ড সেন্সর সিস্টেমকে কাজে লাগিয়ে জার্মানির ফ্রেঞ্চহোফার ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেশন, ইনফরমেশন প্রসেসিং অ্যান্ড আর্গনোমিকসের (এফকেআইই) গবেষকরা ‘চিৎকার অনুসন্ধানী ড্রোন’ বানিয়েছেন।

ফ্রেঞ্চহোফার ইনস্টিটিউটের ড্রোনে বর্তমানে ৩২টি মাইক্রোফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। যাতে খুব সহজে সাহায্যপ্রার্থীর আওয়াজ শনাক্ত করা যায় এবং কত ডিগ্রিতে তিনি অবস্থান করছেন—সেটাও বুঝে নেওয়া যায়। তবে এখনো পরীক্ষামূলকভাবে এই ড্রোন নিয়ে জার্মানির ল্যাবে ব্যাপক আকারে গবেষণা চলছে।

বিডি রয়টার্স/এ কে জি