করোনার এমন পরিস্থিতিতে মানবিকতা আমাকে বসে থাকতে দেয় না: চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার

চুয়াডাঙ্গা পুলিশের মানবিক কর্মকাণ্ড এখন জেলার সর্বত্রই প্রশংসিত হচ্ছে। মহামারী করোনাভাইরাসে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে বিপন্ন জনসাধারণকে সেবা প্রদান করে জেলার বাসিন্দাদের কাছে আস্থা অর্জন করেছে জেলা পুলিশের সদস্যরা।

করোনার ভয়াবহতায় মানবিকতার নানা উদ্যোগ চুয়াডাঙ্গা পুলিশকে সাধারণ মানুষের কাছে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। কর্ম হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্য সহায়তা, করোনায় আক্রান্তদের হোম আইসোলেশন, লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রিতে সহায়তা করেছে পুলিশ বাহিনী। পুলিশের ব্যতিক্রমী এসব নানা উদ্যোগ চোখে পড়ার মতো। শুধু মানবিকতায় নয়, জেলাকে করোনার ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় কঠোর অবস্থানও নিয়েছে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ।

পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম নিজেই প্রতিনিয়ত ছুটছেন জেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। এতে জেলার বাসিন্দাদের কাছে পুলিশ সুপারের মানবিকতা প্রশংসিত হচ্ছে এবং পুলিশ সদস্যদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে।

একটা সময় ছিল মানুষ শুধু মুখে মুখে নয়, প্রকাশ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানাভাবে পুলিশের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করত। কিন্তু দিন এখন বদলে গেছে, করোনা দুর্যোগে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে মানুষের সেবা করে এ জেলার পুলিশ এখন জনসেবার মডেল। এদিকে এ জেলা পুলিশের সব সদস্য দায়িত্বে ঊর্ধ্বে উঠে এমন মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি জেলার চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইসহ আইনশৃক্সখলার উন্নয়নের ধারাবাহিকতাও বজায় রাখছেন।

পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বাংলাদেশ রয়টার্সকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইজিপির মানবিক নির্দেশনা পালন করে পুলিশের সদস্যরা সর্বদা জনসাধারণের পাশে রয়েছি। এ ছাড়া করোনার এমন পরিস্থিতিতে মানবিকতা আমাকে বসে থাকতে দেয় না। মানবিক মূল্যবোধ দেশপ্রেম, মানবপ্রেম সার্বক্ষণিকভাবে আমাকে তাড়া করে, তাই আমি অবিরাম ছুটে চলছি মানব সেবায়।

বিডি রয়টার্স/এ.সি



আজকের সব খবর