গ্যাটকো দুর্নীতি: খালেদার অপরাধের প্রমাণ মিলেছে

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ আসামিদের অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। বুধবার (১৪ জুলাই) হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত

ঢাকা: গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়াসহ আসামিদের অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। বুধবার (১৪ জুলাই) হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে না।

প্রায় ১৪ বছর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা হয়। কিন্তু এই ১৪ বছরে মামলাটি এগোয়নি একটুও। নানা সময়ে সব আসামিই হাইকোর্ট আসেন, মামলাটি বাতিল চেয়ে।

তেমন দুই আসামি সৈয়দ গালিব ও সৈয়দ তানভীর হাইকোর্টে এসেছিলেন হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন নিয়ে। কিন্তু সে আবেদনের লিখিত রায়ে হাইকোর্ট পরিষ্কার জানিয়ে দেন, অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া।

আর এতে সুবিধা নিয়েছিলেন, আরাফাত রহমান কোকো। আদালত তার পর্যবেক্ষণে আরও বলেন, এ মামলা খালেদা জিয়াসহ বাকীদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের যথেষ্ট তথ্য উপাদান রয়েছে। তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এগুলো বিচারিক আদালতে বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। সেখানে খালেদা জিয়া এক নম্বর অভিযুক্তকারী। সেখানে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকো কীভাবে তার মাকে ম্যানেজ করেছে।

নিম্ন আদালতকে রায় পাওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, এ রায় মানতে বাধ্য নয়, বিচারিক আদালত।

বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, করোনার মধ্যে ছয় মাসের মধ্যে মামলার শেষ করা ন্যায়বিচারের শঙ্কা থেকে যায়। এছাড়াও ম্যাডাম খালেদা জিয়া অসুস্থ।

এরই মধ্যে মারা গেছেন, এ মামলার অন্যতম আসামি সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ও আরাফাত রহমান কোকো।

বিডি রয়টার্স/এ.সি