আদালতে এপিএস ফোয়াদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ফরিদপুর: ফরিদপুরে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফের এপিএস ফোয়াদ।

রোববার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক হোসেন এ জবানবন্দি নথিভুক্ত করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালতের নির্দেশে ফরিদপুর জেল হাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ফোয়াদকে।

দুই দফায় চারদিন রিমান্ড শেষে বিকেলে ফোয়াদকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।

মানি লন্ডারিং, ছোটন বিশ্বাস হত্যা মামলাসহ আটটি মামলার আসামি এ এইচ এম ফোয়াদকে গত ১২ অক্টোবর ঢাকার বসুন্ধরা এলাকার সি ব্লকের ৮ নম্বর সড়কে অবস্থিত ১৮৩ নম্বর বাসার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের গোয়েন্দা পুলিশ।

এ এইচ এম ফোয়াদকে পরদিন ১৩ অক্টোবর ২০১৬ সালের ১২ জুলাই সংঘটিত ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকায় ছোট বিশ্বাস হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পর পর দুই দফায় মোট চারদিন পুলিশি রিমান্ড শেষে আজ তাকে এক নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. ফারুক হোসেনের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল গফফার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মো. ফারুক হোসেনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ শেষে রাতে আদালতের নির্দেশে এ এইচ এম ফোয়াদকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি (বহিস্কৃত) ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে ঢাকার সিআইডির দায়ের করা দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি ফোয়াদ।

গত ২০২০ সালের ১৬ মে রাতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। গত ১৮ মে সুবল সাহা অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই বছর ৭ জুন রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়। ওই রাতে ফরিদপুর-৩ আসনের সাংসদ খন্দকার মোশাররফের শহরের বদরপুরস্থ বাড়ি থেকে ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন ওরফে বরকত এবং ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান ওরফে রুবেলসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিন অল্পের জন্য গ্রেপ্তার এড়িয়ে পালিয়ে যান ফোয়াদ।

 

বিডি রয়টার্স/এসএস



আজকের সব খবর